আজকের সোনার দাম বাংলাদেশ - Gold Price in Bangladesh Today 2026

আজকের সোনার দাম বাংলাদেশ

আজকের সোনার দাম বাংলাদেশ — এই পাতায় আপনি একসাথে তিনটি সুবিধা পাচ্ছেন: (১) ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার লাইভ দাম প্রতি গ্রাম ও প্রতি ভরি হিসেবে, (২) নিজের প্রয়োজনমতো হিসাব করার জন্য একটি সোনার দাম ক্যালকুলেটর, এবং (৩) গ্রাম-ভরি-আনা-রতি রূপান্তরের জন্য একটি ইউনিট কনভার্টার

সংক্ষেপে: বাংলাদেশে সোনার দাম নির্ধারিত হয় আন্তর্জাতিক স্পট মূল্য ও ডলার-টাকা বিনিময় হার থেকে, এবং সরকারিভাবে ঘোষণা করে বাজুস (BAJUS)। এক ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম = ১৬ আনা = ৯৬ রতি। ২২ ক্যারেট (গয়নার সবচেয়ে প্রচলিত মান) সোনার আজকের আনুমানিক দাম নিচের লাইভ বোর্ডে দেখুন — প্রতি ৬০ সেকেন্ডে হালনাগাদ হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারদর ও ডলার-টাকা বিনিময় হারের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাংলাদেশে সোনার দামও প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে, তাই পাতাটি খোলা রাখলে দাম নিজে থেকেই প্রতি ৬০ সেকেন্ডে আপডেট হতে থাকবে।

MR
Md. Masud Rana লিখছেন
প্রতিষ্ঠাতা, Trade Logic BD

প্রতিদিন সকালে সবার আগে যে জিনিসটা আমি নিজে চেক করি তা হলো আন্তর্জাতিক গোল্ডের স্পট প্রাইস আর ডলার-টাকার রেট — কারণ এই দুটো একসাথে না দেখলে দেশের বাজারে সোনার দাম কেন বাড়ল বা কমল সেটা বোঝা কঠিন। এই পাতাটা বানানোর মূল কারণ ছিল, নিজের এই দৈনিক চেকিং রুটিনটাকেই একটা টুলে রূপ দেওয়া, যাতে বারবার আলাদা আলাদা সাইটে গিয়ে হিসাব না করে এক জায়গাতেই সব পাওয়া যায়।

একটা কথা স্পষ্ট করে বলে রাখি — এই পাতার দাম বাজুসের সরকারি ঘোষণার বিকল্প নয়, বরং এটা একটা লাইভ রেফারেন্স। সোনা কেনার আগে সবসময় সেদিনের বাজুস ঘোষণা বা নিকটস্থ জুয়েলারির সাথে মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

লাইভ গোল্ড টুলস · বাংলাদেশ
২২ ক্যারেট সোনা (প্রতি ভরি)
লোড হচ্ছে…
আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় হিসাব
ক্যারেটপ্রতি গ্রামপ্রতি ভরি
২৪ ক্যারেট
২২ ক্যারেট
২১ ক্যারেট
১৮ ক্যারেট
আন্তর্জাতিক স্পট (XAU/USD): ডলার রেট: সর্বশেষ আপডেট: সংযোগ হচ্ছে…
দ্রষ্টব্য: এই দামগুলো আন্তর্জাতিক সোনার বাজারদর এবং লাইভ ডলার-টাকা বিনিময় হার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করে দেখানো হয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক সরকারিভাবে ঘোষিত দামের সাথে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, কারণ বাজুসের দামে মজুরি, ভ্যাট ও স্থানীয় চাহিদা যুক্ত থাকে। সোনা কেনার আগে সর্বশেষ বাজুস ঘোষণা বা নিকটস্থ জুয়েলারির সাথে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিনিময় হারের তথ্যসূত্র: ExchangeRate-API।
সোনার গায়ের মূল্য (মজুরি ও ভ্যাট ছাড়া)৳ ০
মজুরি৳ ০
ভ্যাট৳ ০
সর্বমোট মূল্য: ৳ ০
ব্যবহারের নিয়ম: "২৪ ক্যারেট প্রতি গ্রাম দাম" ঘরে লাইভ দাম নিজে থেকেই বসে যাবে — চাইলে বাজুসের সেদিনের ঘোষিত দাম দিয়েও পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। এরপর ক্যারেট, পরিমাণ, একক, মজুরি ও ভ্যাট বসিয়ে দিলে ক্যালকুলেটর নিজে থেকেই মোট মূল্য দেখিয়ে দেবে। এটি শুধুমাত্র আনুমানিক হিসাবের জন্য, প্রকৃত ক্রয়মূল্য দোকানভেদে ভিন্ন হতে পারে।
গ্রাম
ভরি
আনা
রতি
কেজি
আউন্স
ব্যবহারের নিয়ম: যেকোনো একটি এককে পরিমাণ লিখে সেই এককটি সিলেক্ট করুন — বাকি সব একক স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়ে যাবে। মনে রাখবেন: ১ ভরি = ১৬ আনা = ৯৬ রতি = ১১.৬৬৪ গ্রাম।

সোনার দাম কেন প্রতিদিন ওঠানামা করে?

সোনার দাম নির্ধারিত হয় মূলত আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্যের উপর ভিত্তি করে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মার্কিন ডলারের মান, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা মজুদের সিদ্ধান্ত এবং সুদের হারের পরিবর্তনের সাথে সাথে সোনার দাম ওঠানামা করে। বাংলাদেশে যেহেতু সোনা আমদানি করতে হয়, তাই আন্তর্জাতিক দামের পাশাপাশি ডলার-টাকা বিনিময় হারও দেশীয় বাজারে আজকের সোনার দাম বাংলাদেশ-এ সরাসরি প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশে সোনার দাম নির্ধারণ পদ্ধতি

বাংলাদেশে সোনার খুচরা দাম সাধারণত বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারদর, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা বিশ্লেষণ করে বাজুস নির্দিষ্ট সময় পরপর ক্যারেটভেদে নতুন দাম প্রকাশ করে। এই দামের সাথে সাধারণত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুরি ও প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত হয়ে চূড়ান্ত ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয় — এই হিসাবটাই উপরের ক্যালকুলেটর টুলে করা যায়।

ক্যারেট অনুযায়ী পার্থক্য

২৪ ক্যারেট সোনা প্রায় সম্পূর্ণ খাঁটি এবং এটি মূলত বার বা বিনিয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়। ২২ ক্যারেট সোনা বাংলাদেশে গয়না তৈরির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়, কারণ সামান্য মিশ্র ধাতু যুক্ত থাকায় এটি তুলনামূলক মজবুত হয়। ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনায় মিশ্র ধাতুর পরিমাণ আরও বেশি থাকে, ফলে দাম তুলনামূলক কম হয়।

বাজুসের দামের সাথে লাইভ দামের পার্থক্য কেন হয়

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন কেন এই পাতার লাইভ দাম আর বাজুসের ঘোষিত দাম হুবহু মেলে না। কারণটা সহজ — আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট প্রতি সেকেন্ডে বদলায়, কিন্তু বাজুস দিনে নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে) একটা নির্দিষ্ট দাম ঘোষণা করে যা পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত কার্যকর থাকে। তাই স্পট মার্কেট বেশি ওঠানামা করলে সাময়িকভাবে দুটোর মধ্যে ফারাক দেখা দিতে পারে, যা পরবর্তী বাজুস ঘোষণায় সমন্বয় হয়ে যায়।

সোনার দাম ক্যালকুলেটর কীভাবে ব্যবহার করবেন

সোনা কেনার আগে আনুমানিক খরচ জানতে চাইলে উপরের সোনার দাম ক্যালকুলেটর ট্যাবটি ব্যবহার করুন। ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  1. ক্যারেট বেছে নিন — আপনি যে ক্যারেটের সোনা কিনতে চান (২৪, ২২, ২১ বা ১৮) সেটি সিলেক্ট করুন।
  2. পরিমাণ ও একক দিন — কত পরিমাণ সোনা কিনবেন লিখুন, একক হিসেবে গ্রাম বা ভরি বেছে নিন।
  3. মজুরি ও ভ্যাট বসান — আপনার পছন্দের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান যে হারে মজুরি ও ভ্যাট নেয় তা শতাংশ আকারে বসান।
  4. ফলাফল দেখুন — নিচে সাথে সাথেই গায়ের মূল্য, মজুরি, ভ্যাট এবং সর্বমোট মূল্য দেখতে পাবেন।

গ্রাম-ভরি-আনা-রতি ইউনিট কনভার্টার কীভাবে কাজে লাগবে

বাংলাদেশে সোনা মাপার জন্য ভরি, আনা ও রতি — এই স্থানীয় এককগুলো এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে আন্তর্জাতিক বাজারে হিসাব হয় গ্রাম বা আউন্সে। উপরের ইউনিট কনভার্টার টুলটি ব্যবহার করে আপনি মুহূর্তেই যেকোনো এককের পরিমাণকে অন্য সব এককে রূপান্তর করে দেখতে পারবেন — সোনার দোকানে হিসাব মেলানো বা অনলাইনে কেনাকাটার আগে যাচাই করার জন্য এটি বিশেষভাবে সহায়ক।

সোনায় বিনিয়োগ করবেন কীভাবে

বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ প্রধানত তিনভাবে সোনায় বিনিয়োগ করে থাকেন:

  • ফিজিক্যাল গোল্ড (গয়না বা বার): সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি, তবে মজুরি ও ভ্যাটের কারণে বিক্রির সময় পুরো টাকা ফেরত পাওয়া যায় না — তাই বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে গয়নার বদলে ২৪ ক্যারেট বার বা কয়েন বেশি উপযোগী।
  • ব্যাংক/এনবিএফআই-এর গোল্ড সেভিংস স্কিম: কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট মেয়াদে সোনায় বিনিয়োগের স্কিম দিয়ে থাকে — শর্তাবলি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
  • আন্তর্জাতিক গোল্ড ট্রেডিং (XAU/USD): ফরেক্স ব্রোকারের মাধ্যমে সরাসরি স্পট গোল্ডে ট্রেড করা যায়, তবে এটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এবং লেভারেজ ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন — শুরুতে ছোট পজিশন ও কঠোর রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মেনে চলা উচিত।

যেকোনো পদ্ধতিতেই বিনিয়োগের আগে নিজের আর্থিক লক্ষ্য ও ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনা করা উচিত — এটি কোনো নির্দিষ্ট বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সোনা সংক্রান্ত তথ্য

প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরা প্রায়ই দেশে ফেরার সময় সোনা নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

  • বাংলাদেশ কাস্টমসের ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ সোনা শুল্কমুক্ত বা নির্দিষ্ট শুল্কে আনার বিধান আছে — সময়ে সময়ে এই নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সর্বশেষ নিয়ম বিমানবন্দর কাস্টমস বা এনবিআরের ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
  • যে দেশ থেকে সোনা কেনা হচ্ছে সেখানকার এবং বাংলাদেশের মধ্যে দামের পার্থক্য তুলনা করে দেখুন — অনেক সময় স্থানীয় দামের সাথে আমদানি শুল্ক যোগ করলে দেশে কেনার চেয়ে খুব বেশি লাভ নাও হতে পারে।
  • রিসিট ও ইনভয়েস সংরক্ষণ করুন, এটি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের সময় প্রয়োজন হতে পারে।

সোনা কখন বিক্রি করা উচিত

সোনা বিক্রির সময়টা মূলত নির্ভর করে ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও বাজার পরিস্থিতির উপর। যখন আন্তর্জাতিক স্পট মূল্য তুলনামূলক বেশি থাকে এবং ডলার শক্তিশালী থাকে, তখন বিক্রি করলে সাধারণত ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে বিক্রির আগে একাধিক জুয়েলারির কাছে দাম যাচাই করা, এবং তারা কী পরিমাণ মূল্যছাড় (মজুরি বাদ) দিচ্ছে সেটা তুলনা করা বুদ্ধিমানের কাজ — অনেক দোকান পুরনো গয়না কেনার সময় গায়ের দামের চেয়ে কম দিয়ে থাকে।

সোনা কেনার আগে যা মনে রাখা জরুরি

  • শুধু প্রতি ভরির দাম নয়, মজুরি ও ভ্যাটসহ সর্বমোট মূল্য হিসাব করে নিন — এই কাজে উপরের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন।
  • গয়না কেনার সময় অবশ্যই হলমার্ক সনদ যাচাই করুন — বাংলাদেশে বাজুস অনুমোদিত হলমার্কিং সেন্টারের সিল আছে কিনা দেখে নিন, এটি সোনার প্রকৃত ক্যারেট নিশ্চিত করে।
  • বড় অঙ্কের সোনা কেনার আগে একাধিক দোকানের দাম তুলনা করুন এবং সেদিনের বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ দামের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
  • জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের বিশ্বস্ততা ও রশিদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করুন — ভবিষ্যতে বিক্রি বা এক্সচেঞ্জের সময় এই রশিদ কাজে লাগবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আজকের সোনার দাম বাংলাদেশে কত?

এই পাতার উপরের লাইভ বোর্ডে ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার হালনাগাদ দাম প্রতি গ্রাম ও প্রতি ভরি হিসেবে দেখা যাবে, যা প্রতি ৬০ সেকেন্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন করে হিসাব হয়।

বাংলাদেশে সোনার দাম কে নির্ধারণ করে?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আন্তর্জাতিক বাজারদর ও ডলার বিনিময় হার বিবেচনা করে সোনার সরকারি খুচরা দাম নির্ধারণ করে থাকে।

এক ভরি সোনা কত গ্রাম?

বাংলাদেশে প্রচলিত হিসাবে এক ভরি সোনা সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম, এবং এক ভরি সমান ১৬ আনা।

২২ ক্যারেট ও ২৪ ক্যারেট সোনার মধ্যে পার্থক্য কী?

২৪ ক্যারেট প্রায় ৯৯.৯% খাঁটি সোনা, বিনিয়োগ ও বার আকারে ব্যবহৃত হয়। ২২ ক্যারেটে প্রায় ৯১.৭% সোনা থাকে এবং বাকিটা মিশ্র ধাতু, যা গয়নাকে মজবুত করে।

সোনার দাম ক্যালকুলেটর কীভাবে ব্যবহার করব?

ক্যারেট, পরিমাণ, একক, মজুরি ও ভ্যাট বসিয়ে দিলেই ক্যালকুলেটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গায়ের মূল্য, মজুরি, ভ্যাট ও সর্বমোট মূল্য দেখিয়ে দেবে।

গ্রাম, ভরি, আনা ও রতি একে অপরের সাথে কীভাবে কনভার্ট করব?

ইউনিট কনভার্টার টুলে যেকোনো একটি এককে পরিমাণ লিখলেই বাকি সব একক স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়ে দেখা যাবে।

বাজুসের ঘোষিত দামের সাথে এই পাতার লাইভ দামের পার্থক্য কেন হয়?

এই পাতার দাম আন্তর্জাতিক স্পট মূল্য থেকে রিয়েল-টাইমে হিসাব করা, যেখানে বাজুস দিনে নির্দিষ্ট সময়ে দাম ঘোষণা করে — তাই সাময়িক সামান্য ফারাক স্বাভাবিক।

প্রবাসীরা দেশে সোনা আনার আগে কী দেখবেন?

বাংলাদেশ কাস্টমসের ব্যাগেজ রুলস, সেই সময়ের আন্তর্জাতিক দাম, এবং হস্তান্তরের সময়ের ডলার-টাকা বিনিময় হার — এই তিনটি বিষয় একসাথে বিবেচনা করা উচিত।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Trade Logic BD এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
🤖 Trade Logic BD AI Assistant
আসসালামু আলাইকুম! 👋 Welcome! Ask me anything about Trading, Gold, Forex, Crypto, RSI, MACD or EMA. আমি আপনার AI অ্যাসিস্ট্যান্ট, ট্রেডিং সম্পর্কে আমাকে যেকোনো কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আপনি চাইলে ট্রেডিং চার্টের ছবিও 📷 বাটনে ক্লিক করে আপলোড করতে পারেন, আমি সেটা বিশ্লেষণ করে দেব।
preview Chart attached ✕ Remove